নৌকা বাইচ
সন্ধ্যা নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ, হাজারো দর্শকের ভিড়
বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দ, মাঝিদের জয়ধ্বনি আর কাঁসির আওয়াজে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল বরিশালের উজিরপুরের সন্ধ্যা নদী। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে জড়ো হন কয়েক হাজার নারী-পুরুষ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে দ্বিতীয়বারের মতো এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।
ভাঙ্গায় কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ, উৎসবে মাতল হাজারো মানুষ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কুমার নদে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। জমকালো এই আয়োজন দেখতে নদীর দুই পাড়ে সমবেত হয়েছিলেন হাজারো উৎসুক দর্শনার্থী। ঐতিহ্যবাহী এ উৎসবকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
গোপালগঞ্জে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জমজমাট নারী নৌকা বাইচ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে নারীদের এক ব্যতিক্রমী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। জিকাবাড়ি বিলে আয়োজিত এই উৎসবমুখর প্রতিযোগিতায় ১৫টি নৌকার নারী মাঝিরা অংশ নেন, যা দেখতে ঢল নেমেছিল হাজারো মানুষের। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী এই সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ নেয় স্থানীয় মহিলা দল।
সিরাজগঞ্জে নৌকা বাইচ নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের দ্বন্দ্ব, ১৪৪ ধারা জারি
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নৌকা বাইচ আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। সংঘর্ষের আশঙ্কায় কালীগঞ্জ ঘাট এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরণের আয়োজন বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
বৈঠার টানে মুখরিত ফরিদপুরের আষাঢ়ের বিল, জমজমাট নৌকা বাইচ ও মেলা
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার খোয়াড় গ্রামের আষাঢ়ের বিলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ও গ্রামীণ মেলা। আবহমান গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই স্থানীয়দের উদ্যোগে এই জমকালো আয়োজন করা হয়। হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
কুমারখালীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের একটি বিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। বিলের পানিতে নৌকার ছুটে চলা, মাঝিদের প্রতিযোগিতা এবং তীরে হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাসে আয়োজনটি পরিণত হয় প্রাণবন্ত উৎসবে। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ আয়োজন করা হয়।